কোমর ব্যথা কেন এত ভোগাচ্ছে?

আজকের জীবনে কোমর ব্যথা খুব অচেনা কিছু নয়।ঘন্টার পর ঘন্টা এক জায়গায় বসে থাকা,  হঠাৎ করে ভারী কাজ করা,  শরীরের ওজন বেড়ে যাওয়া কিংবা পেশি ও হাড়ের সমস্যার কারণে অনেকেরই এই কোমর ব্যথা শুরু হয়।

সমস্যাটা হলো— শুরুর দিকে ব্যথা সহনীয় থাকায় আমরা গুরুত্ব দিই না। কিন্তু সময় গড়ানোর সাথে সাথে এই অস্বস্তিই রূপ নেয়  দীর্ঘস্থায়ী ব্যথায়, যা কাজের মনোযোগ, ঘুমের স্বস্তি এবং স্বাভাবিক জীবনযাপনকে ব্যাহত করে।

অনেকে লক্ষ্য করেন—
• কোমরের নিচের অংশ ভারী বা ব্যথায় টনটন করে
• বেশিক্ষণ বসে থাকলে বা উঠতে গেলে ব্যথা বাড়ে
• হাঁটতে বা সোজা হয়ে দাঁড়াতে অসুবিধা হয়
• ব্যথা কখনো পায়ের দিকে নেমে যায়, ঝিনঝিন ভাব দেখা দেয়
• রাতে শোয়ার সময় কোমর আরাম পায় না

কোমর ব্যথা হঠাৎ করে আসে না। বেশিরভাগ সময় এর পেছনে থাকে—
• পেশিতে টান বা কোনো ধরনের আঘাত
• স্নায়ু চাপা পড়া (সায়াটিকা)
• ভুল ভঙ্গিতে ভার তোলা বা কাজ করা
• দীর্ঘ সময় ডেস্ক বা কম্পিউটারের সামনে বসে থাকা
• শরীরচর্চার অভাব ও অতিরিক্ত ওজন

হিজামা কীভাবে উপকারে আসতে পারে?

হিজামা বা কাপিং থেরাপি এমন একটি প্রাকৃতিক পদ্ধতি  যার মাধ্যমে শরীরের ভেতরে জমে থাকা অপ্রয়োজনীয় উপাদান  ও রক্তের স্থবিরতা দূর করতে সহায়তা করে।কোমর এলাকায় হিজামা প্রয়োগ করলে—
• রক্ত চলাচল ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হয়
• পেশির শক্তভাব ও টান কমতে থাকে
• প্রদাহ ও স্নায়ুর চাপ হ্রাস পায়
• আক্রান্ত অংশে অক্সিজেন ও পুষ্টির প্রবাহ বাড়ে

এর ফলে ব্যথা সহনীয় হয়, শরীর হালকা অনুভূত হয়  এবং স্বাভাবিক চলাফেরা সহজ হয়ে আসে ইনশাআল্লাহ। কোমর ব্যথাকে শুধু বয়স বা কাজের চাপ বলে এড়িয়ে যাওয়া ঠিক নয়। এটা শরীরের পক্ষ থেকে দেওয়া একটি বার্তা।  সময়মতো সচেতন হলে এবং প্রাকৃতিক চিকিৎসার দিকে নজর দিলে
এই কষ্ট অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *