নির্দিষ্ট বয়সের পর অনেকেরই মাংসপেশিতে ব্যথা অনুভূত হয়। কিন্তু বয়সই একমাত্র কারণ নয়—ভারী কাজ করা, দীর্ঘসময় একই অবস্থানে থাকা বা অনিয়মিত জীবনধারার কারণে যেকোনো বয়সের মানুষেই এই ব্যথা দেখা দিতে পারে। অনেকেই প্রথমে ব্যথা সামলানোর জন্য গরম সেক দেওয়া বা মালিশ করানো চেষ্টা করেন। এটি সাময়িক স্বস্তি দিতে পারে, কিন্তু দীর্ঘমেয়াদি ও কার্যকর সমাধান নয়।
হিজামা বা কাপিং থেরাপি হলো প্রাচীনকাল থেকে সুন্নাহভিত্তিক চিকিৎসা পদ্ধতি। মাংসপেশির ব্যথায় এটি বিশেষভাবে কার্যকর। কাপিং থেরাপির মাধ্যমে—
• রক্ত চলাচল বৃদ্ধি পায়, ফলে পেশি পর্যাপ্ত অক্সিজেন ও পুষ্টি পায়
• নাইট্রিক অক্সাইডের মাত্রা বাড়ে, যা শরীরের ক্লান্তি ও টান কমাতে সাহায্য করে
• পেশি শিথিল হয় এবং ব্যথা অনেকাংশে কমে
• শরীরের প্রাকৃতিক পুনরুদ্ধার ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়
ব্যথার ধরণ ও সময়কাল অনুযায়ী কতগুলো সেশন প্রয়োজন তা অভিজ্ঞ থেরাপিস্ট নির্ধারণ করবেন।
সঠিকভাবে পরিচালিত হিজামা থেরাপি দীর্ঘমেয়াদি সমস্যা যেমন পেশির শক্তি কমে যাওয়া, জয়েন্টের ব্যথা, প্রদাহ ইত্যাদি কমাতে সহায়ক। নিয়মিত ও অভিজ্ঞ পদ্ধতিতে হিজামা করানো হলে মাংসপেশির ব্যথা অনেকাংশে প্রশমিত হয়, শরীর হালকা ও সচল হয়, এবং দৈনন্দিন জীবন আরও স্বাচ্ছন্দ্যপূর্ণ হয় ইনশা’আল্লাহ।